অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, অনেক বছর পরে একটা প্রকৃত ভোট হবে। যেখানে সরকারের কোনো পক্ষের কোনো অবস্থান নেই। মানুষ নির্ভয়ে জেনে-বুঝে ভোটাধিকার যেন প্রয়োগ করতে পারে, সেই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। নির্বাচন সুষ্ঠু, উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক হোক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সরকার এবং গণমাধ্যম একসঙ্গে মিলে ভোটের যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো মোকাবেলায় জনমত গড়ে তুলতে পারে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সিলেটে পিআইবি আয়োজিত ‘নির্বাচন বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমরা যে ভোটের আয়োজনটা করছি, মনে রাখতে হবে প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পতনের ফলে। একটা স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা যখন থাকে, তখন সকল ব্যবস্থাতেই তার লোকজন ঢুকে পড়ে। মনস্তত্ত্বও ওরকম হয়ে যায়। সেটার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমরা এ নির্বাচনটা আয়োজন করছি একটা গণঅভ্যুত্থানের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে পরাজিত শক্তি কিছু বাধা সৃষ্টি করতে পারে। সে বাধাগুলো আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। আমার তো মনে হয়, পরাজিত শক্তির পক্ষে কোনো রকমেরই জনমত নেই। যেখানে কোনো রকমের জনমত না থাকে, সেখানে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারব।
সাংবাদিকের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আপনি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে গত ১৬ বছরে যে পরিমাণ নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন, এবার তার এক পরিমাণও কি মুখোমুখি হয়েছেন? সেই কথাগুলো বলেন মানুষকে। মানুষের মধ্যে আশা জাগান।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ভোটের সময় বিভিন্ন জায়গায় কিছুটা রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকে। সরকার আশাবাদী, তা উতড়ে যাওয়া যাবে। সে জন্য প্রথম থেকেই সরকার কাজ শুরু করেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলা ও মব বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই আতঙ্ক তৈরি করছে পরাজিত শক্তি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেহেতু সেই অপশক্তিকে প্রতিহত করা গেছে, বাকি চ্যালেঞ্জগুলোও সরকার মোকাবিলা করতে পারবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




