ছবি:সংগৃহীত
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত রাখার ঘোষণায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কাটতে যাচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশন শর্ত সাপেক্ষে আগামী ২০ জানুয়ারি ২০২৬ শাকসু নির্বাচন আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন গত ১২ জানুয়ারি এক নির্দেশনায় জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব নির্বাচন বন্ধ থাকবে। এতে করে ২০ জানুয়ারিতে নির্ধারিত শাকসু নির্বাচন স্থগিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। বিষয়টি ঘিরে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তারা নির্ধারিত তারিখেই নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে আন্দোলনে নামে।
এই অবস্থায় মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী ঢাকায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ কমিশনের সব সদস্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে শাকসু নির্বাচন আয়োজনের বাস্তবতা, সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন জানায়, কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা হলে ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন আয়োজন করা যাবে। বৈঠকে শাবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন এবং উপাচার্যের একান্ত সচিব ও অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. এ এফ এম সালাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
ইসির শর্ত অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন কিংবা তার আগে-পরে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এই নির্বাচন যেন জাতীয় নির্বাচনকে কোনোভাবেই প্রভাবিত না করে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া এসব শর্ত মেনে নেওয়ার বিষয়ে শাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীর লিখিত সম্মতি ও স্বাক্ষর থাকতে হবে। পরবর্তীতে যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ হয়, তার দায় স্বাক্ষরকারী প্রার্থীদেরই বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




