সংগৃহীত
যশোরের চৌগাছায় আতিয়ার রহমান নামে এক বিএনপি কর্মীকে জবাই করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওসমান নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।আজ রোববার বিকেলে উপজেলার চৌগাছা, সিংহঝুলী ও ধুলিয়ানী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী অবস্থানে অবস্থিত বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের সিংহঝুলী ইউনিয়নের মধ্যে অবস্থিত খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আতিয়ার রহমান (৪০) উপজেলার চৌগাছা সদর ইউনিয়নের লস্কারপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা ছবেদ আলী চৌগাছা সদর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাহী সদস্য।স্থানীয়রা জানান, আতিয়ার শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। একই সঙ্গে বাওড়ের পাশে থাকা তার একটি গভীর নলকূপের মাধ্যমে কৃষিকাজ ও সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
আতিয়ারের পিতা ছবেদ আলী ও ছোট ভাই রাশেদ লাশ উদ্ধারের স্থানে জানান, আতিয়ার প্রতিদিন সকালে বাড়ি গেলেও আজ রোববার বাড়ি যাননি। পরে অনেক খুঁজেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে নিহতের ভাতিজা মো. হাসান বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের খালে কচুরি পানার নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়।পরে তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চৌগাছা থানা পুলিশে খবর দেন। চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় সন্দেহজনকভাবে ফতেপুর গ্রামের হাফিজুরের ছেলে ওসমানকে (৩০) ধরে মারপিট করে নিহতের স্বজনরা। পরে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম জানান, আতিয়ার বিএনপির কর্মী ছিল। তার বাবা চৌগাছা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য। বেড়গোবিন্দপুর বাওড়কে কেন্দ্র করে তাদের সাথে কিছু লোকের বিরোধ ছিল। তারা আগেও তাকেসহ তার পরিবারের লোকজনকে আহত করেছিল। সে বিষয়ে মামলাও হয়েছিল।চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশীদ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




