সংগৃহিত
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে চলতি বোরো মৌসুমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় সরকারিভাবে ভর্তুকির তালিকা প্রণয়ন করা হলেও এতে প্রকৃত কৃষকদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শেরপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষে মো. সাদ্দিক মিয়া ও অলিউর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগটি জমা দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কৃষি ভর্তুকির তালিকা প্রণয়নে চরম অনিয়ম ও উদাসীনতা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সঠিক যাচাই-বাছাই না করায় ৭নং ওয়ার্ডের অনেক প্রকৃত, দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্টরা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকাভুক্ত না করে কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে মনগড়া তালিকা তৈরি করেছেন। এতে কৃষির সঙ্গে সরাসরি জড়িত নন—এমন অনেক ব্যক্তির নাম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তারা বলেন, এর ফলে সরকারের মহৎ উদ্যোগের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত কৃষকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বর্তমানে ত্রুটিপূর্ণ তালিকা স্থগিত করে মাঠপর্যায়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও বর্গা কৃষকদের চিহ্নিত করে দ্রুত স্বচ্ছ ও সঠিক তালিকা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, বন্যায় ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ায় অনেক কৃষক পরিবার বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে প্রকৃত কৃষকদের সরকারি সহায়তার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ




