পর্তুগালে বিশ্বনাথবাসীর বর্ণাঢ্য প্রীতিসন্ধ্যা ও নৈশভোজ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪১ PM

পর্তুগালে বিশ্বনাথবাসীর বর্ণাঢ্য প্রীতিসন্ধ্যা ও নৈশভোজ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০/০৮/২০২৬ ১০:১৩:৫৮ PM

পর্তুগালে বিশ্বনাথবাসীর বর্ণাঢ্য প্রীতিসন্ধ্যা ও নৈশভোজ

ছবি:সংগৃহীত


পর্তুগালে বসবাসরত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার প্রবাসীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বর্ণাঢ্য প্রীতিসন্ধ্যা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানী লিসবনের একটি বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় ‘বিশ্বনাথী ভাই ব্রাদার্স, পর্তুগাল’-এর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। এতে পর্তুগালে বসবাসরত বিশ্বনাথের বিভিন্ন বয়সী প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

আয়োজনের শুরুতে বিশ্বনাথের প্রবীণ ও নবীন প্রবাসীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। কর্মব্যস্ত প্রবাসজীবন থেকে কিছুটা সময় বের করে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে মিলিত হতে পেরে উপস্থিত প্রবাসীরা আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। নৈশভোজের পাশাপাশি আয়োজিত প্রীতিসন্ধ্যায় চলে পারস্পরিক কুশল বিনিময়, সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি ও স্মৃতিচারণ। দেশীয় সংস্কৃতি ও শেকড়ের স্মৃতিতে অনুষ্ঠানে তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে পর্তুগাল বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি রণি মোহাম্মদ বলেন, পর্তুগালে বিশেষ করে সিলেটের বাসিন্দাদের মধ্যে যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ রয়েছে, তা অত্যন্ত অনুকরণীয়। এই ঐক্যের চেতনা শুধু সিলেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। দল-মত ও অঞ্চলভেদ ভুলে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ালে পর্তুগালে বাংলাদেশি কমিউনিটি আরও শক্তিশালী, মর্যাদাপূর্ণ ও সুসংগঠিত হবে।

আয়োজকরা বলেন, সুদূর পর্তুগালে বসবাসরত বিশ্বনাথের প্রবাসীদের মধ্যে যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য ধরে রাখার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। ভবিষ্যতেও বিশ্বনাথের প্রবাসীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হাসিব, মাসুম আহমেদ, শামীম আহমেদ, লিটন আহমেদ, রাবেল আহমেদ, জালাল উদ্দিন, আবুল বসর, হারুনুর রশিদ, কাওছার আহমেদ, হাবিবুর রহমান, আলামিন, শানুর মিয়া, আকমল হোসেন, এনামুল হক, সুমন, রাহিম, শহিদুল্লাহ, রফিক আহমেদ, খসরু মিয়াসহ পর্তুগালে বসবাসরত বিশ্বনাথের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি।

পরে নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। বিশ্বনাথের বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। কয়েক ঘণ্টার জন্য লিসবনের অনুষ্ঠানস্থলে যেন তৈরি হয় ছোট্ট এক ‘মিনি বিশ্বনাথ’।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ