সংগৃহিত
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মুজিবুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুজনে। সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মুজিবুর রহমান উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও (চন্ডি হেদায়েতপুর) গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে মঙ্গলবার একই সংঘর্ষে তাঁর চাচাতো ভাই মতিউর রহমান (৫০) ঘটনাস্থলে নিহত হন।
জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে পীরেরগাঁও গ্রামের আরব আলীর ছেলে আলমগীরের সঙ্গে একই গ্রামের আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেমের জমিতে পানি সেচ দেওয়া ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সংঘর্ষ চলাকালে আলমগীরের পক্ষের কৃষক মতিউর রহমান প্রতিপক্ষের ছুলফির আঘাতে বুকে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে মতিউর রহমানের পক্ষের মুজিবুর রহমান ও আতাউর রহমান (৫০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে মুজিবুর রহমানের মৃত্যু হয়।
জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ




