নিরাপত্তা হেফাজতের নামে আটক ৬ ছাত্রনেতাকে মুক্তি দিতে হবে- জি এম কাদের
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৭ AM

নিরাপত্তা হেফাজতের নামে আটক ৬ ছাত্রনেতাকে মুক্তি দিতে হবে- জি এম কাদের

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০/০৭/২০২৪ ০৯:৪৮:১১ AM

নিরাপত্তা হেফাজতের নামে আটক ৬ ছাত্রনেতাকে মুক্তি দিতে হবে- জি এম কাদের

ফাইল ছবি


বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলছেন, নিরাপত্তা হেফাজতের নামে আটক ছয় ছাত্রনেতা মো. নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. আবু বাকের, আসিফ মাহমুদ ও নুসরাত তাবাসসুমকে মুক্তি দিতে হবে।

সোমবার (২৯ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র, এখানে দেশের মালিক জনগণ। দেশের সব ক্ষমতার মালিকও জনগণ। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা বা প্রতিবাদ করার অধিকার প্রতিটি নাগরিকের আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে বিবেচনা করার বা সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সংহিসভাবে মোকাবিলা করার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। সে কারণে শুধু ছাত্র নয়, কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য গুলি করতে পারে না।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, নিরাপত্তা হেফাজতের নামে বেশ কয়েক দিন ধরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয়জন সমন্বয়ককে ডিবি অফিসে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে দেওয়া হচ্ছে না। আবার ডিবি হেফাজতে থেকেই আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এদিকে সাধারণ ছাত্ররা মনে করছেন, গোয়েন্দা সংস্থা বলপূর্বক এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাদের বাধ্য করছে। এ কারণে সাধারণ ছাত্ররা আটক সমন্বয়কদের সেই ঘোষণা প্রত্যাখান করেছেন। দিনের পর দিন সাধারণ ছাত্রদের নিরাপত্তার নামে তাদের ও তাদের পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আমরা আইনসম্মত মনে করি না।

জাপার চেয়ারম্যান বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়েছেন। হেলিকপ্টার এবং বহুতলবিশিষ্ট বাড়ির ছাদের ওপর থেকে এবং ভ্রাম্যমাণ গাড়ি থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করা হয়েছে। যে কারণে বাবা-মায়ের কোলের মধ্যে ও ঘরের মাঝে খেলাধুলারত অবস্থায় শিশু নিহত হয়েছে। আবার ঘরের ভেতরে কাজ করতে করতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গৃহিণী নিহত হয়েছেন বলেও গণমাধ্যমে এসেছে।

একইভাবে অসংখ্য নিরীহ পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। প্রশ্ন হলো, এ ধরনের গুলির উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এ ধরনের প্রক্রিয়ায় কী সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরীহ পথচারী, তারা কী সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মাঝে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্কের রাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি হতাহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।

জৈন্তা বার্তা / টিটু



শীর্ষ সংবাদ:

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে সিসিক প্রশাসকের মতবিনিময়
সিলেটসহ দেশের সব সিটিতে ২-৩ ওয়ার্ডে হবে একটি বড় খেলার মাঠ
ছি*নতাই, কি*শোর গ্যাং ও মা*দক নি*য়ন্ত্রণে সিলেটে অভিযান, গ্রেপ্তার ৬০
২৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের
শ্রীমঙ্গলে ৩ কোটি টাকার ভা'রতীয় পণ্য জ'ব্দ
সিলেটে সোয়া ২ কোটি টাকার চো'রাচা'লানির পণ্য জ'ব্দ
সিলেটে হা'মের উপসর্গে শিশুর মৃ'ত্যু, নতুন আ'ক্রান্ত ১১ জন
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নত নগর গড়তে চাই: সিসিক প্রশাসক
এমসি কলেজ জ্ঞানের জগতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে’ - কাইয়ুম চৌধুরী