সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে ভারতীয় কম্বল, কসমেটিকস ও চকলেটসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় ১নং নিজপাট ইউনিয়নের মাস্তিং হাটি সাকিনস্থ সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের ওপর একটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।
এ সময় একটি পর্যটকবাহী বাসে (রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৭৩৭০) তল্লাশিকালে নরসিংদী জেলার বাসিন্দা আল-আমিনকে (৩৩) আটক করা হয় এবং তার কাছ হতে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৭২ পিস ভারতীয় কম্বল উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জৈন্তাপুর মডেল থানার সামনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিদ্যুৎ পুরকায়স্থের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স। এ সময় একটি পর্যটকবাহী বাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৯১৯৩) তল্লাশিকালে একজন কৌশলে পালিয়ে যান। তবে গাজীপুরের বাসিন্দা মো. সিয়ামকে (১৯) আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তার হেফাজত হতে ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে ছিল কিটক্যাট ফোর ফিঙার চকলেট ৩৫০ পিস, কিটক্যাট থ্রি ফিঙার চকলেট ৪৫০ পিস, বেঞ্জো চকলেট ৯০ প্যাকেট ও কাভেরি মেহেদী ৯৫ বক্স। উদ্ধারকৃত পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৭৫০ টাকা।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে ভারতীয় সীমান্ত থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে পণ্যগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ বিষয় জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, পৃথক দুই অভিযানে আটককৃত দুইজন ও পলাতক একজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে জৈন্তাপুর থানার পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




