জৈন্তাকে নতুন রূপে সাজাতে হবে - আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৩:৪০ PM

জৈন্তাকে নতুন রূপে সাজাতে হবে - আরিফুল হক চৌধুরী

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩/০১/২০২৬ ০৮:০৮:১৩ PM

 জৈন্তাকে নতুন রূপে সাজাতে হবে -  আরিফুল হক চৌধুরী

ছবি:সংগৃহীত


বিএনপি মনোনীত সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আধুনিক শিক্ষার প্রসারে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান বহুমুখী ও ঐতিহাসিক। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার বিপ্লব সূচিত হয়।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, শিক্ষা উপবৃত্তির প্রচলন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছেন। এসব উদ্যোগ নারীদের উচ্চশিক্ষা ও ক্ষমতায়নের সুযোগ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণয়ন, দশম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের বিনা বেতনে শিক্ষা, ‘শিক্ষার জন্য খাদ্য’ কর্মসূচি এবং ছাত্রীদের জন্য উপবৃত্তি চালুর মধ্য দিয়ে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি ২০২৬) জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড থেকে ৯নং ওয়ার্ড পর্যন্ত সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনায় আয়োজিত দিনব্যাপী দোয়া মাহফিলের পূর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, বিশ্বমানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আধুনিক ও যুগোপযোগী কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, যে শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখে না, সে শিক্ষা গ্রহণের চেয়ে ক্ষতির দিকই বেশি। সন্তানরা মা–বাবার আদর্শে বড় হয়, তাই অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে মানবিক, সহানুভূতিশীল ও আদর্শবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা-যা দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ের কল্যাণে আসে।

পৃথক দোয়া মাহফিলের আগে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জৈন্তাপুর একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জনপদ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও খনিজ সম্পদে ভরপুর এই এলাকাকে নতুন রূপে সাজাতে হবে। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করে জৈন্তাপুরকে একটি পর্যটনবান্ধব এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত-এখানে উন্নত সড়ক যোগাযোগ নেই, মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই, সুপেয় পানি ও চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আল্লাহর রহমতে জনগণ যদি তাকে নির্বাচিত করেন, তবে এক বছরের মধ্যেই এসব মৌলিক সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন ইনশাল্লাহ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন লস্কর, উপদেষ্টা আব্দুস শুকুর, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেক, সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ সিদ্দিকী, তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়েজ আহমদ দৌলত, সিলেট জেলা বিএনপির তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, সিলেট জেলা তাঁতীদলের সদস্য সচিব আলতাফ হোসেন বিলালসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশীদ চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তেয়াজ আলীসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ