সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ভিড়, তেল সরবরাহে সীমা নির্ধারণ
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৯:১৯ PM

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাব:

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ভিড়, তেল সরবরাহে সীমা নির্ধারণ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬/০৩/২০২৬ ০৫:১৭:০৫ PM

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ভিড়, তেল সরবরাহে সীমা নির্ধারণ

ছবি:সংগৃহীত


মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় দেশে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সিলেটেও। গুজব ও আতঙ্কে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহে সাময়িক সীমা নির্ধারণ করেছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল দেওয়া হবে। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি) বা জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া পিকআপ বা স্থানীয় বাস প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি কার্যক্রম মাঝে মধ্যে বিলম্বিত হতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন।

এতে ডিলাররাও আগের চেয়ে বেশি পরিমাণ তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কিছু ভোক্তা ও ডিলার অতিরিক্ত তেল কিনে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে জনগণের আতঙ্ক কমাতে বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে নিয়মিতভাবে চালান আনা হচ্ছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন ডিপোতে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই দেশে পর্যাপ্ত বাফার স্টক গড়ে উঠবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে সিলেট নগরীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, ছুটির দিনেও সেখানে উপচে পড়া ভিড়। অনেক চালকই সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

বিপিসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় ভোক্তাদের তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে রসিদ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আবার তেল নিতে এলে আগের রসিদ দেখাতে হবে। একই সঙ্গে ডিলারদের বরাদ্দ ও মজুতের তথ্য পর্যালোচনা করে তেল সরবরাহ করা হবে এবং কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দের বেশি তেল দেওয়া যাবে না।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ: