সংগৃহিত
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় শালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে।
শুক্রবার রাতে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কিত্তে কমরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল সামাদ (২২) ওই গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে পারিবারিক রাস্তা নিয়ে আব্দুল সামাদ ও রফিকুল ইসলামের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ শেষে একই গ্রামের মাসুক মিয়ার বাড়িতে একটি শালিশ বৈঠক বসে।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাকির আহমেদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাবেক মেম্বার মিনার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করছিলেন।
তবে বৈঠকের শেষ পর্যায়ে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০–১২ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন আব্দুল সামাদ।
পরে তাকে উদ্ধার করে বালাগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূইয়া জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




