ছবি:সংগৃহীত
সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের শূন্য পদের মতো সারাদেশে উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার শূন্য পদে প্রশাসক নিয়োগের আলোচনা জোরালো হওয়ায় বিয়ানীবাজারের রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক গুঞ্জন। কে হচ্ছেন উপজেলা ও পৌর প্রশাসক-এ নিয়ে উপজেলাবাসীর পাশাপাশি বিএনপির অভ্যন্তরেও চলছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ।
দলীয় নেতাকর্মীদের ধারণা, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।
উপজেলা পরিষদের প্রশাসক পদে আলোচনায় রয়েছেন জেলা বিএনপির নেতা আব্দুল মান্নান, যিনি ২০১৪ সালের নির্দলীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এছাড়া আলোচনায় আছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল। তিনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও সংগঠক হিসেবে সুপরিচিত এবং জনপ্রিয়।
অন্যদিকে, বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক পদ নিয়েও চলছে জোর আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক পৌর বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের পিন্টু। তিনি পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস শুকুরের সঙ্গে জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও পরাজিত হয়েছিলেন।
এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল এবং সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মিছবা উদ্দিন।
বিষয়টি নিয়ে জেলা থেকে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও তুমুল আলোচনা চলছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরাও সম্ভাব্য প্রার্থীদের অতীত ও বর্তমান রাজনৈতিক ভূমিকা বিশ্লেষণ করছেন।
উপজেলায় পুতুল, পৌরসভায় পিন্টু-এমন আলোচনা ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে জোরালো ধারণা তৈরি হয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত তারাই বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পেতে পারেন। যদিও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবুও তৃণমূল থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিশ্লেষণ ও আলোচনায় এই দুই নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, হাইকমান্ড কাকে চূড়ান্তভাবে দায়িত্ব অর্পণ করে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




