যান্ত্রিক কোলাহল মুক্ত স্বচ্ছ জল রাশি সবুজ অরণ্যের সাহচার্য পেতে উৎমাছড়া অন্যতম
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৮:৫১ AM

যান্ত্রিক কোলাহল মুক্ত স্বচ্ছ জল রাশি সবুজ অরণ্যের সাহচার্য পেতে উৎমাছড়া অন্যতম

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২৭/০৩/২০২৬ ০৬:৪০:৪৪ PM

যান্ত্রিক কোলাহল মুক্ত স্বচ্ছ জল রাশি সবুজ অরণ্যের সাহচার্য পেতে উৎমাছড়া অন্যতম

নিজস্ব


পাহাড়ের বুকে গাঢ় সবুজের আস্তরণ। পাহাড়ের বুক চিড়ে চলেছে শীতল স্বচ্ছ জলরাশি। পাথর ছড়ানো সর্বত্র। আকাশে নীলের ছায়া। সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নে অবস্থিত উৎমাছড়া একটি অপূর্ব প্রাকৃতিক ঝর্ণা ও পাহাড়ি নদী, যা তার স্বচ্ছ পানির স্রোত, পাথুরে বিছানা এবং মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশের নৈসর্গিক দৃশ্যের জন্য পরিচিত। এটি মূলত বিছনাকান্দির মতো একটি স্থান যেখানে পাহাড় ও পাথরের মিলনমেলা দেখা যায় 

উৎমা ছড়ার বিশেষত্ব হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সারি সারি পাহাড়, সবুজ বনাঞ্চল এবং স্বচ্ছ জলের ধারা। ছড়া জুড়ে রয়েছে নানা আকারের পাথর। বর্ষায় ছড়ার পানির ধারা মনোরম, আর হেমন্তে পানি কমে গেলে পাথুরে রূপ ভিন্ন আমেজ দেয়। তবে সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বিজিবি বা ভারতের বিএসএফের নজরদারি থাকে। খুব বেশি উপরে না যাওয়াই ভালো।  

রূপ-লাবণ্যে যৌবনা উৎমাছড়া পরতে পরতে সাজিয়ে রেখেছে সম্মোহনী সৌন্দর্য্য। যান্ত্রিক কোলাহল থেকে মুক্ত নির্জন অরণ্যের সাহচার্য পেতে উৎমাছড়ার বিকল্প নেই। আছে সবুজের সমারোহ, দিগন্ত বিস্তৃত সাদা মেঘের খেলা, পাথর ছড়ানো চারপাশ, দুধসাদা জলরাশি, পাখিদের কলতান। মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই!

স্বচ্ছ পানির ধারা, পাথুরে বিছানা এবং চমৎকার প্রকৃতির জন্য পর্যটকদের নতুন পছন্দের গন্তব্য হয়ে উঠেছে উৎমা ছড়া। নিরিবিলি পরিবেশে সবুজ প্রকৃতিতে পিপাসুদের জন্য অন্যতম একটি পর্যটন স্পট হয়ে উঠেছে। তবে স্থানীয় পরিবেশ ও সংস্কৃতি রক্ষার্থে এবং কোনো ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে স্থানীয় প্রশাসন বা সমাজের মানুষেরা অনেকটা সচেতন ।তাই ভ্রমণের আগে স্থানীয় অবস্থা জেনে যাওয়া বাঞ্ছনীয়।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা