সিলেটের জৈন্তাপুরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানির পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে জৈন্তাপুর মডেল থানার সামনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে এসআই (নিরস্ত্র) বিদ্যুৎ পুরকায়স্থের নেতৃত্বে চেকপোস্ট ডিউটির সময় “রাফী উত্তরা পরিবহন” নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ওই বাস থেকে বিভিন্ন প্রকার চকলেট ও জিরাসহ মোট ৩ লক্ষ ৪০ হাজার ৩৫০ টাকার পণ্য জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত পণ্যগুলো হলো- কিটক্যাট চকলেট (৩ ফিঙ্গার) ৭৭০ পিস – ৩০ হাজার ৮০০ টাকা, কিটক্যাট চকলেট (৪ ফিঙ্গার) ৪১০ পিস – ২৪ হাজার ৬০০ টাকা, কিটক্যাট চকলেট (২ ফিঙ্গার) ১ হাজার ৭৫০ পিস – ৩৫ হাজার টাকা, সাফারি চকলেট ৯,১৫০ পিস – ৯১ হাজার ৫০০ টাকা, পার্ক চকলেট ১,৮৮০ পিস – ১৮ হাজার ৮০০ টাকা, ডেইরি মিল্ক (২০ টাকা) ৫৮০ পিস – ২৩ হাজার ২০০ টাকা, ডেইরি মিল্ক (১০ টাকা) ২ হাজার ৫০০ পিস – ৫০ হাজার টাকা, ফাইভ স্টার চকলেট ৯৫০ পিস – ১৪ হাজার ২৫০ টাকা, স্নিকার্স চকলেট ১,২৮০ পিস – ১৯ হাজার ২০০ টাকা ও খোলা জিরা ৬০ কেজি – ৩৩ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় আটককৃত ৪ জন হলেন- গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার বিবাদিয়া গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে নাজমুল মিয়া ওরফে সানি (২৮), একই জেলার ভূঁইয়াপাড়া এলাকার মৃত মোহন মিয়া ওরফে মাঈন উদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩৪), টঙ্গী পূর্ব থানার সুরুজ মোল্লার ছেলে মো. রনি (৪০) এবং নেত্রকোনা দুর্গাপুর থানার কাকরিয়া ইউনিয়নের পরিণতলা গ্রামের উপেন্দ্র বর্মনের ছেলে হিমাংশু চন্দ্র বর্মন (৩৫)।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, আটককৃতরা পরস্পর যোগসাজশে ভারতীয় সীমান্ত থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে এসব পণ্য দেশে এনে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ পাহারায় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




