সংগৃহিত
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতনকাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি; বিষয়টি আরও পর্যালোচনার মধ্যেই থাকছে। এ কাজ চালিয়ে যাবে সচিব কমিটি।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন।
তিতুমীর বলেন, সচিব কমিটি প্রস্তাবিত বেতনকাঠামো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে একটি প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরও জানান, পে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সচিব কমিটিই মূল যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
প্রস্তাবিত বেতনকাঠামোতে যা রয়েছে:
নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের জন্য সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান-এর নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়। গত ২২ জানুয়ারি কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে।
সুপারিশ অনুযায়ী-সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব
সর্বোচ্চ বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব
কমিশনের হিসাবে, এই কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।
পরবর্তী প্রক্রিয়া
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সরাসরি বাস্তবায়ন নয়; বরং কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এর অংশ হিসেবে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ দেবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




