সংগৃহীত
ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। আজ রোববার দেশে আসছে তার মরদেহ। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিনা খরচে তার মরদেহ দেশে আনার মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কারিনার পারিবারিক একটি সূত্র।পরিবার জানায়, প্রথমে অন্য একটি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা করা হলেও সেটি সম্ভব হয়নি। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এগিয়ে আসে। রোববার বিকেলে চেন্নাই থেকে ফ্লাইটে কারিনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দেশে আনার পর প্রথমে মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের বাসায়। পরে বনানী ডিওএইচএস মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় নানার বাড়িতে। সেখানেই দাফন করা হবে এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে।
বলা দরকার, লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকদিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল বলে জানা গেছে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কারিনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণ দর্শকদের কাছে তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। পরে ওটিটি ও নাটকের জগতেও ধীরে ধীরে নিজের জায়গা করে নেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।কারিনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




