ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক উ*ধাও, অভিযোগ উ*দ্ধারকারীর বি*রুদ্ধে
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫০ AM

ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক উ*ধাও, অভিযোগ উ*দ্ধারকারীর বি*রুদ্ধে

মোশাররফ হোসেন, ছাতক প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১/০৬/২০২৬ ১০:০৯:১৮ PM

ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক উ*ধাও, অভিযোগ  উ*দ্ধারকারীর বি*রুদ্ধে

ছবি:সংগৃহীত


সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার আইন্দারগাঁও সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া এক নবজাতক ছেলে শিশুকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে  নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই শিশুটিকে নিয়ে গেছেন সেই ব্যক্তি, যিনি কয়েকদিন আগে পরিত্যক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন। ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল প্রায় ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৬টার দিকে ছাতক থেকে বাড়ি ফেরার পথে আইন্দারগাঁও সড়কের পাশে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনে গাড়ি থামান সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক কাওছার আহমেদ। পরে তিনি সেখানে গিয়ে আনুমানিক সাত দিন বয়সী এক নবজাতক ছেলে শিশুকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকালে শিশুটির হাতে হাসপাতালের ব্যবহৃত কেনোলা লাগানো ছিল বলে জানা গেছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের শিবপুর (নোয়াগাঁও) গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে কাওছার আহমেদ উদ্ধারকৃত শিশুটিকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপর থেকে তিনি ও তার স্ত্রী হাসপাতালে অবস্থান করে শিশুটির দেখাশোনা করছিলেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চিকিৎসা ও পরিচর্যায় শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। পরে সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিশুটিকে উপযুক্ত অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে কয়েকজন আবেদনও করেছিলেন এবং সেসব আবেদন যাচাই-বাছাই চলছিল।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান বলেন, ‘শিশুটিকে গ্রহণের জন্য কয়েকজন আবেদন করেছিলেন। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছিল। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত আরেফিন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে কাওছার আহমেদ শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করা হয়।

কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই কাওছার আহমেদ তার স্ত্রীর সহযোগিতায় নবজাতক শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে গেছেন। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া তিনি যে ঠিকানা দিয়েছিলেন, সেখানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যে ব্যক্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন, পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধেই শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠায় ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। নবজাতক শিশুটির নিরাপত্তা ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট’, লক্ষ্য ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’
মাধবপুরে মা*দকবিরোধী সংগঠনের তিন সদস্যের ওপর হা*মলা
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের রাজনীতি করা উচিত নয়: এমপি এমরান আহমদ
এবার কুলাউড়া সীমান্তে বি*এসএফের গু*লিতে বাংলাদেশি নি*হত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জ্ঞানে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি: এমপি শওকতুল ইসলাম
বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন
ইবনে সিনার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অশোভন আচরণের অভিযোগ তুললেন সাংবাদিক ফয়সল আলম
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে সঠিক পরিসংখ্যানই একমাত্র ভিত্তি : বিভাগীয় কমিশনার
ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক উ*ধাও, অভিযোগ উ*দ্ধারকারীর বি*রুদ্ধে
দোকান-মার্কেট খোলার নতুন সময়সূচি ঘোষণা