ছবি:সংগৃহীত
ম্যাচ শুরুর আগেই বোঝা যাচ্ছিল শক্তির পার্থক্য। একদিকে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি, অন্যদিকে বিশ্বকাপে অভিষেক করা ছোট দল কুরাসাও। শেষ পর্যন্ত মাঠের ফলেও ফুটে উঠেছে সেই পার্থক্য। কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জার্মানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে জার্মানি। মাত্র ৬ মিনিটেই ফেলিক্স এনমেচার গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে ২১ মিনিটে ইতিহাস গড়ে ম্যাচে সমতা ফেরায় কুরাসাও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে প্রথম গোলের কীর্তি গড়েন লিভানো কোমেনেনসিয়া।
তবে কুরাসাওয়ের আনন্দ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধের শেষদিকে জার্মানি আবারও নিয়ন্ত্রণ নেয় ম্যাচের। বিরতিতে যাওয়ার আগে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন কাই হাভার্টজ।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে জার্মানি। শুরুতেই জামাল মুসিয়ালার গোলে ব্যবধান বাড়ে। এরপর নাথানিয়েল ব্রাউন ও ডেনিজ উনদাভ গোল করেন। শেষদিকে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় গোল করে জার্মানির সপ্তম গোল পূর্ণ করেন।
ম্যাচে জার্মানির ৭ গোল এসেছে ৬ জন ভিন্ন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে। কেবল হাভার্টজ করেছেন জোড়া গোল।
জার্মানির এই বড় জয় অনেককেই মনে করিয়ে দিয়েছে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই ঐতিহাসিক রাতের কথা, যখন ব্রাজিলের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে জয় পেয়েছিল জার্মানি।
এদিকে ম্যাচটি আরও একটি কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কুরাসাওয়ের ৭৮ বছর বয়সী কোচ ডিক অ্যাডভোকাট এবং জার্মানির ৩৮ বছর বয়সী কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমানের বয়সের ব্যবধান ৪০ বছর। বিশ্বকাপ ইতিহাসে একই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া দুই কোচের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশি বয়সের পার্থক্য।
ম্যাচ শেষে জার্মানি বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও কুরাসাওয়ের জন্য ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেওয়ার মতো একটি মুহূর্ত হয়ে থাকল বিশ্বকাপে তাদের প্রথম গোলটি।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




