ছবি:সংগৃহীত
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত মানের বৈষম্য কমিয়ে সকল মাধ্যমে সমমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে সামঞ্জস্য আনার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘রাইজ’ ও ‘ইউরোকিডস’ স্কুলের বার্ষিক গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সিলেটের শিক্ষা খাতে এখনও কিছু ঘাটতি রয়েছে। সেই শূন্যতা পূরণে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম ও মাদ্রাসা-তিন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতায় পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। তাই শিক্ষার মূল মানদণ্ডে সামঞ্জস্য আনা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার না হয়।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, আধুনিক যুগের চাহিদা বিবেচনায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার শিক্ষাকে মৌলিক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে রয়েল এডুকেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়সল আহমদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করছে। তাদের অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে।
ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, বর্তমান প্রজন্মই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। তাদের দক্ষ ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এসএমপি) মো. এনামুল হক, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. জাবের সাদেকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা।
পরে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান, কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ফ্যাশন শো ও সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি হয়।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




