ছবি:সংগৃহীত
সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় গাড়িটির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। ঘটনার জন্য ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছেন সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা অডিটোরিয়ামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এনসিপির মতবিনিময় সভা শেষে বের হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর সিলেট সার্কিট হাউসে ফিরে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সারজিস আলম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। শুধু আমার গাড়ি নয়, আমাদের বহরের আরও কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করেও হামলা করা হয়েছে। সিলেটে ফেরার পথে পাঁচমাইল এলাকাতেও চাপাতি ও রামদা নিয়ে আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে।’
এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শিব্বির আহমদ জানান, এনসিপির সংসদ সদস্য মাহমুদা মিতু ও আতিকুর রহমান মোজাহিদের গাড়িসহ শহীদ পরিবারের সদস্যদের বহনকারী কয়েকটি গাড়িও হামলার শিকার হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভা শেষে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িবহর অডিটোরিয়াম এলাকা ত্যাগ করার সময় কয়েকজন ব্যক্তি কোমল পানীয়ের বোতল ও পাথর নিক্ষেপ করেন। এতে সারজিস আলমের গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং পুলিশি পাহারায় গাড়িবহরটি সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের কোনো নেতা-কর্মী সেখানে হামলায় জড়িত ছিলেন না। নেতা-কর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলেও আহতদের সঙ্গে দেখা না করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




