ছবি:সংগৃহীত
শাবিপ্রবিতে আলোচনা সভায় এনসিপির আহ্বায়ক; গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জবাবদিহিমূলক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রধান দুটি লক্ষ্য ছিল বিচার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্র সংস্কার বাস্তবায়ন। এই দুটি বিষয় উপেক্ষিত হলে অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকেই নতুন স্বৈরাচারের উত্থান ঘটতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) মিনি অডিটোরিয়ামে জাতীয় ছাত্রশক্তির আয়োজনে ‘অগ্নিঝরা জুলাই: রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিচার না হলে পূর্বতন ফ্যাসিস্ট শক্তি আবার ফিরে আসবে। আর রাষ্ট্র সংস্কার না হলে যে-ই ক্ষমতায় আসুক না কেন, বিদ্যমান কাঠামো থেকেই নতুন স্বৈরাচার বা নব্য ফ্যাসিবাদের জন্ম হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের দুটি প্রধান এজেন্ডা হলো বিচার ও সংস্কার। বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব, আর সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেন আর কেউ স্বৈরাচার হয়ে উঠতে না পারে, তা নিশ্চিত করা যাবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্র ও ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ কারণেই সরকারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দেয়।
গণতন্ত্রের চর্চায় মতের ভিন্নতাকে স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের অর্থই হলো মতের ভিন্নতা। কেউ আমার সঙ্গে দ্বিমত করলে তারও মতপ্রকাশের অধিকার থাকবে। কথার জবাব কথা দিয়েই দিতে হবে, এটাই গণতন্ত্র।’
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




