বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ইতিহাসে ৪ আগস্ট সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার জন্য এক বেদনাবিধুর দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে আন্দোলন চলাকালে গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ, বারকোট ও উপজেলা সদরে সংঘটিত গুলির ঘটনায় ৬ জন নিহত হন। পরদিন ৫ আগস্ট সিলেট নগরীতে আরও একজন নিহত হলে আন্দোলনে গোলাপগঞ্জের মোট শহীদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ জন।
নিহতরা হলেন— নাজমুল ইসলাম, তাজ উদ্দিন, সানি আহমদ, জয় আহমদ, গৌছ উদ্দিন, মিনহাজ আহমদ এবং ৫ আগস্ট সিলেটে নিহত পাবেল আহমদ কামরুল।
স্মৃতির ক্যালেন্ডারে ৪ আগস্ট ফিরে এলেই শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে শহীদ পরিবারগুলো। হারানো সন্তানের মুখ, স্বামীর স্মৃতি কিংবা ভাইয়ের শূন্যতা আজও তাদের তাড়িয়ে বেড়ায়। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক পরিবারের চোখের জল শুকায়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিনের সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হন এবং গোলাপগঞ্জজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন সরকার পতনের মধ্য দিয়ে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটলেও স্বজন হারানোর বেদনা আজও শেষ হয়নি।
নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিচারিক প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




