ছবি : সংগৃহীত
ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের স্মৃতি মিলিয়ে যেতে সময় লাগল না একেবারেই। ম্যাকাই টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ও ৫১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে স্রেফ ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই প্রথম কোনো ম্যাচের দুই ইনিংসেই এক শর নিচে অলআউট হল বাংলাদেশ। আর তাতেই দুই টেস্টের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ করল প্যাট কামিন্সের দল।
১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কোনো লড়াই-ই গড়ে তুলতে পারেনি শান্তর দল। প্রথম ইনিংসে স্রেফ ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছে মাত্র ৯৫ রানে। প্রথম সেশনে ৩ উইকেটে ৩৯ রান তুলে বিরতিতে যাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশনে এসে স্রেফ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। মাত্র ৩১ রানের ব্যবধানে ৫টি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে যায় সফরকারীরা।
দ্বিতীয় সেশনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর (৩১) বিদায়ের পর টানা তিন ইনিংসে ডাক মেরে মিচেল স্টার্কের শিকার হন লিটন দাস। এরপর প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নের তোপে একে একে সাজঘরের পথ ধরেন মেহেদী হাসান মিরাজ (১), হাসান মাহমুদ (২) ও তাইজুল ইসলাম (৭)। একদিকে উইকেট পতনের মিছিল চললেও এক প্রান্ত আগলে ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তবে অন্য প্রান্তে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ইনিংস হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচে ১০ উইকেট শিকার করে অজিদের জয়ের নায়ক বাঁহাতি পেসার স্টার্ক।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের সকালে শরিফুল ইসলামের রেকর্ডগড়া বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ।
প্রথম দিনেই ৬ উইকেট নেওয়া শরিফুল সকালে জমে যাওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে (৬৭) নিজের ইনসুইং ইয়র্কারে এলবিডব্লিউ করে ৭ উইকেটের কোটা পূরণ করেন। ৪৮ রান খরচায় ৭ উইকেট নিয়ে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি পেসার হিসেবে সেরা বোলিংয়ের নতুন কীর্তি গড়েন তিনি। তবে ব্যাটারদের এই চরম আত্মসমর্পণে শরিফুলের সেই ঐতিহাসিক লড়াই শেষ পর্যন্ত কোনো কাজেই আসল না।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




