ফোন না ধরায় ভাই এসে দেখেন বোনের কক্ষের তালা, পরে মিললো গলাকাটা মরদেহ
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ PM

ফোন না ধরায় ভাই এসে দেখেন বোনের কক্ষের তালা, পরে মিললো গলাকাটা মরদেহ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮/০৯/২০২৬ ০৭:৫৫:৫০ PM

ফোন না ধরায় ভাই এসে দেখেন বোনের কক্ষের তালা, পরে মিললো গলাকাটা মরদেহ

সংগৃহীত


রাজধানীর কদমতলীতে ভাড়া বাসার কক্ষের তালা ভেঙে এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী পলাতক রয়েছেন।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত তরুণীর নাম ইয়ানূর আক্তার (২৫)। তিনি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোয়াবাড়িয়ার হানিফ হাওলাদারের মেয়ে। তিনি কদমতলীর ডিপটি গলির একটি বাসায় স্বামীকে নিয়ে সাবলেট থাকতেন।ইয়ানূরের ছোট ভাই ইমাম হোসেন বলেন, ‘আমার বোন পাঁচ-ছয় মাস আগে জিকুরুল ইসলাম জুয়েল নামের এক ছেলের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন। ওই ছেলে পটুয়াখালীর একটি বাসে সুপারভাইজারের কাজ করতো। গত রাতে আমার মা বোনকে ফোন দিয়ে না পেলে, আজ সাড়ে ১০টার দিকে বাসায় এসে তালাবদ্ধ পাই। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় বোনের মরদেহ উদ্ধার করে

কদমতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজজামান জানান, তারা খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্ষের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।আশপাশে লোকজনের বরাত দিয়ে এসআই খালেকুজজামান আরও জানান, তিন মাস আগে জুয়েল ও ইয়ানূর সাবলেটে ওই বাসা ভাড়া নেন। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গতকাল রাতের কোনো একসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইয়ানূরের গলা কেটে হত্যা করে দরজায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান জুয়েল। তারপরও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে কদমতলী থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে।

জৈন্তাবার্তা/ সুলতানা