সংগৃহিত
সিলেটের জৈন্তাপুরে সাফরি নদীর পাড় থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লুট হওয়া ১১১ রাউন্ড গুলি, দুটি রাইফেলের ম্যাগাজিন ও দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নদীর তীরে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ এল কীভাবে, কারা এগুলো সেখানে রেখে গেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯) জানিয়েছে, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর উপজেলার বাউরভাগ মল্লিফৌদ এলাকায় সাফরি নদীর পাড়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নদীর তীরবর্তী স্থানে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১১ রাউন্ড থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের গুলি, দুটি রাইফেলের ম্যাগাজিন ও দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-৯-এর দাবি, উদ্ধার করা গুলিগুলো একটি থানা থেকে লুট হওয়া। তবে কীভাবে এসব গুলি ও অস্ত্র সাফরি নদীর পাড়ে পৌঁছাল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট কাউকেও পাওয়া যায়নি।
বিশেষ করে একই স্থান থেকে রাইফেলের গুলি, ম্যাগাজিন ও হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হয়েছে। এগুলো কি লুটের পর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সেগুলো সেখানে নেওয়া হয়েছিল—তা তদন্তের বিষয়।
উদ্ধার করা দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরক হওয়ায় এসআরবি-৯-এর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট বিধি অনুযায়ী সেগুলো ধ্বংস করেছে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করা আলামত জিডিমূলে জৈন্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে সেগুলো সেখানে রাখা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৯।
এখন তদন্তেই বেরিয়ে আসার অপেক্ষা-সাফরি নদীর পাড়ে লুট হওয়া এসব গুলি ও গ্রেনেডের রহস্য কী?
জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ




