বাগেরহাটে তেলের সংকট, শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ট্যাগ অফিসার
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৮ AM

বাগেরহাটে তেলের সংকট, শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ট্যাগ অফিসার

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮/০৪/২০২৬ ০৫:৩৬:২৯ PM

বাগেরহাটে তেলের সংকট, শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ট্যাগ অফিসার

সংগৃহিত


সারাদেশের মত বাগেরহাটেও জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। তেলের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছে। বাগেরহাট শহরের খারদ্বার এলাকায় খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনের তেল মজুত ও তেল সরবরাহ ব্যবস্থাপনার জন্য ট্যাগ অফিসার নিয়োগ পেয়েছেন বিএডিসির সহকারি পরিচালক ফারুক আহমেদ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর থেকেই বাগেরহাট শহরের প্যাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা শত শত মোটরসাইকেল ও যানবাহনের সারি দেখা যায়। অপেক্ষা তেল দেওয়ার। সকাল ৭টা বাজতেই পাম্পের ট্যাগ অফিসার আসেন। এসে ডিপো থেকে আসা তেল আনলোড করেন। পরে মজুত তেলের পরিমাপ করে তেল সরবরাহ শুরু করেন। পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও যানবাহনগুলোর শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও ভূমিকা পালন করছে। দুপুরে তেল শেষ হলে আবারও তেলের মজুত মেপে নিশ্চিত হন।

যাত্রাপুর থেকে তেল নিতে আসা বাদশা শেখ জানান, দুই তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে। রোদের ভিতরে এইটা বড় একটা ভোগান্তি। তবে ট্যাগ অফিসার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় সবাই নিয়ম শৃঙ্খলার ভিতরে থেকে তেল নিচ্ছে।

ওষুধ কোম্পানির মেডিকেল প্রমোশন অফিসার শামীম হাসান বলেন, প্রতিদিন আমাকে বাইকে ৭০ থেকে ৮০ কি মি যাতায়াত করতে হয়। তেল না থাকায় সকাল ১১টার দিকে লাইনে দাঁড়িয়েছি। দুই ঘণ্টার মত লাইনে দাঁড়িয়ে এখন দেখি তেল নেই। তেল না নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। তেলের জন্য অনেক বেগ পেতে হচ্ছে।

খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনের নজেল ম্যান আছাদ বলেন, তেল নেওয়ার জন্য সবাই দীর্ঘ লাইন দিচ্ছে। আজকে প্রতিটি গাড়িতে ৫০০ টাকার করে তেল দিচ্ছি। এত এত গাড়িতে তেল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অন্যান্য সময়ের তুলনায় তেলের অনেক চাহিদা বেড়েছে। ১৫ হাজার লিটার তেল দুপুরের ভিতরে শেষ হয়ে গেছে। অনেকেই দুই তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ফিরে যেতে হয়েছে তেল শেষ হওয়ায়।

খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী বদিউজ্জামান খোকন বলেন, আমরা ডিপো থেকে যে তেল পাচ্ছি তা ট্যাগ অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সরবরাহ করছি।

ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার বিএডিসির সহকারি পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, আজকে ভোক্তাদের ৫ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১০ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করেছি। ডিপোতে থেকে তেল আসলে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ আমাকে অবহিত করেন। তেলের মজুত, তেল সরবরাহসহ যাবতীয় সবকিছু মনিটরিং করছি। জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসন পাম্পগুলোতে সব সময় মনিটরিং করছে। চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে না পারায় একটু বেগ পেতে হচ্ছে।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা