ছবি:সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পিংলার হাওরে বর্গাচাষি কৃষকদের ১০০ কেদার জমির ৪০০ মণ ধান মওকুফ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক এম এ কাদির ও জগন্নাথপুর পৌর বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মতিন।
শনিবার বিকেলে তাদের নিজ বাড়িতে চলতি মৌসুমে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত পিংলার হাওরের বর্গাচাষি কৃষকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব ও পরিচালনা করেন এম এ মতিন।
সভায় বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহসিন উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ, সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কবির মিয়া, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু হোরায়রা সাদ মাস্টার, প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, জগন্নাথপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সাবেক মেয়র সফিকুল হক, কৃষক সৈয়দ মিয়া, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল হক সমসু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিল, তকবুর মিয়া, ফারুক মিয়া, আনহার মিয়া ও শাহার আলী দিলু মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সভায় ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন এম এ কাদির।
এম এ কাদির বলেন, “পিংলার হাওরে ১০০ কেদার বোরো জমি কেদারপ্রতি ৪ মণ ধান চুক্তিতে ২৯ জন কৃষকের কাছে বর্গা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জলাবদ্ধতায় ফসলের ক্ষতি হওয়ায় কৃষকদের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়েছে। কৃষকদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ৪০০ মণ ধান মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্য জমির মালিকরাও যেন বর্গাচাষিদের প্রতি সহানুভূতিশীল হন, সে বার্তাই দিতে চাই।”
বর্গাচাষি সৈয়দ মিয়া বলেন, “এ ধরনের সহানুভূতিশীল উদ্যোগ আমাদের জন্য বড় সহায়তা। এতে আমাদের অর্থনৈতিক চাপ অনেকটাই কমবে। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, “এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। পিংলার হাওরের কৃষকদের জন্য ৪০০ মণ ধান মওকুফ সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ।”
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




