সংগৃহীত
টানা ৯ দিন বন্ধ থাকার পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে খুলেছে বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। তবে আরও চার দিন বন্ধ থাকবে জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্র। অর্থাৎ আগামী মঙ্গলবার থেকে পর্যটকরা দেবতাখুমে যেতে পারবেন। এ ছাড়া আজ থেকে পর্যটকেরা রুমা ও থানচি উপজেলায় প্রশাসনের নির্ধারিত পর্যটন গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারবেন।এর আগে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ৭ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছিল জেলা প্রশাসন। অর্থাৎ বৈরী আবহাওয়ায় ৯ দিন বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ছিল।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার এস এম হাসান শাহরিয়ার।থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল ও জেলা পর্যটন সেলের সহকারী কমিশনার এস এম হাসান শাহরিয়ার জানান, তিন দিন ধরে আবহাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে। জেলায় বন্যার পানিও কমেছে। পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামত করে যানবাহন চলাচল করছে। সার্বিকভাবে মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। এ কারণে গতকাল পর্যন্ত থাকা পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আর বাড়ানো হয়নি। পর্যটকরা আগের নিয়মে প্রশাসনকে জানিয়ে ও নিবন্ধিত ট্যুর গাইড নিয়ে ভ্রমণ করতে পারবেন।রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাজমিন আলম গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ভারী বর্ষণের বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে রোয়াংছড়ির দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত এখানে ভ্রমণ বন্ধ থাকবে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভ্রমণে গিয়ে থানচি উপজেলার নাফাখুম, রেমাক্রী, থুইসাপাড়ার দুর্গম এলাকায় ১৬৭ জন; রুমায় কেওক্রাডং, বগালেকে ৩৭ জনসহ মোট ২০৪ জন পর্যটক বন্যায় আটকে পড়েছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করেছেন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




