ছবি:সংগৃহীত
সিলেটে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট ও রেশনিং প্রথা অবশেষে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার দিনভর দ্রুত ও নাটকীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হয়। মূলত বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির-এর সরাসরি হস্তক্ষেপে দীর্ঘদিনের এই সংকটের অবসান ঘটে।
শনিবার সকালে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি, সিলেট বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা সিলেটে জ্বালানি সরবরাহে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সৃষ্ট জটিলতা এবং এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রতিনিধি দলের বক্তব্য ধৈর্যসহকারে শোনার পর মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট তিনটি জ্বালানি বিপণন কোম্পানির প্রতিনিধিদের ডেকে পাঠান। তাদের উপস্থিতিতেই তিনি জ্বালানি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলে সিলেটের সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, দিনের মধ্যেই এ সংকটের সমাধান হবে। সেই আশ্বাস অনুযায়ী দিন শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিলেটে জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রথা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে এখন থেকে সিলেটে স্বাভাবিক হারে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।
দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকার জন্য সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম বলেন, ‘তিনি আমাদের সঙ্গে বসেছেন, সমস্যার কথা শুনেছেন এবং দ্রুত সমাধান করেছেন। কথা কম, কাজ বেশি-রাজনীতি এমনই হওয়া উচিত।’
সিলেটের সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, মন্ত্রীর দৃঢ় হস্তক্ষেপে সিলেটের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়েছে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




