সংগৃহীত
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের খড়কি গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। হবিগঞ্জ ৪ মাধবপুর চুনারুঘাট আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃফয়সলের উদ্যোগে এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।গত মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দিনব্যাপী সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে এমপি এস এম ফয়সলের নির্দেশে এবং সাবেক মাধবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহানের পরামর্শে সাবেক হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ শামীম আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দল খড়কি গ্রামের উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে।সাবেক জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ শামীম আনোয়ার বলেন, “খড়কির ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাইকে ধৈর্য ধারণ ও আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছি। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি। এলাকার শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, “সংঘাত কোনো সমস্যার সমাধান নয়। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই বিরোধ মিটিয়ে ফেলা উচিত। আমরা চাই খড়কি গ্রামে আবারও সম্প্রীতির পরিবেশ ফিরে আসুক। এজন্য উভয় পক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।”স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিনিধি দলের হস্তক্ষেপের পর উভয় পক্ষই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গ্রামে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি যখন উত্তপ্ত ছিল, তখন দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তারা আশা করছেন, চলমান সমঝোতা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিরোধের স্থায়ী সমাধান হবে।বর্তমানে খড়কি গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রশাসনের নজরদারির পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে সমঝোতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




