গাযওয়াতুল হিন্দের বৈধতার ব্যাপারে দেওবন্দের ফতোয়া জারি, উত্তাল সমগ্র ভারত
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন

গাযওয়াতুল হিন্দের বৈধতার ব্যাপারে দেওবন্দের ফতোয়া জারি, উত্তাল সমগ্র ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭/০২/২০২৪ ০৯:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন

গাযওয়াতুল হিন্দের বৈধতার ব্যাপারে দেওবন্দের ফতোয়া জারি, উত্তাল সমগ্র ভারত

ফাইল ছবি


দারুল উলূম দেওবন্দের পক্ষ থেকে গাযওয়াতুল হিন্দের বৈধতার ব্যাপারে ফতোয়া দেয়ায় গোটা ভারতজুড়ে তুমুল তোলপাড় শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওবন্দের একটি ফতোয়ার স্ক্রিনশট ও পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর ভারতের মানবাধিকার সংস্থা এনসিপিসিআর দেওবন্দের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেছে বলে জানা গেছে।

মূলত দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগের কাছে ইসলামিক, সামাজিকসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়। যা পরবর্তীতে ফতোয়া আকারে নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে দারুল উলূম দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গাযওয়াতুল হিন্দ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের উত্তরে দেওবন্দের ইফতা বিভাগ তার বৈধতা দিয়ে ফতোয়া জারি করে। যা কয়েকদিন যাবৎ ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

এটিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনের আগ মুহুর্তে ভারতের কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী জনগোষ্ঠী বিভিন্ন প্রোপাগাণ্ডা চালায় আর তাই অনেকটা চাপের মুখে পড়ে সাহারানপুরের জেলা প্রশাসন ও এনসিপিসিআরের পক্ষ থেকে আইনত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে এ ব্যাপারে থানায় এফআইআর ধার্য করা হয়েছে।

যদিও এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি দারুল উলূম দেওবন্দ। কেউ কেউ বলছেন উক্ত ফতোয়া ২০০৯ সালে দেওবন্দ থেকে দেয়া হয়েছিলো যা ভারতে বর্তমান সময়ে ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যু চলতে থাকায় সামনে আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গাযওয়াতুল হিন্দের ব্যাপারে নাসায়ী শরিফে হাদিস বর্ণিত রয়েছে। যেখানে বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের থেকে হিন্দুস্তান তথা ভারতের সম্মানিত জিহাদ মুবারক সম্পর্কে ওয়াদা তথা প্রতিশ্রুতি মুবারক গ্রহণ করেন। যদি আমি সেই সম্মানিত জিহাদ মুবারক পাই তাহলে আমি সেই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ আমার পবিত্র জান বিলিয়ে দিবো এবং আমার মাল-সম্পদ ব্যয় করবো। আর আমি যদি সেই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে শাহাদাত মুবারক গ্রহণ করি তাহলে আমি হবো সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদ। আর আমি যদি সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার থেকে ফিরে আসি (বিজয়ী বেশে) তাহলে আমি হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত।”

জৈন্তাবার্তা/জেএ



শীর্ষ সংবাদ: