মাধবপুরে উদ্বোধনের আগেই ভে'ঙে গেছে সেতুর সংযোগ সড়ক
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৫ AM

মাধবপুরে উদ্বোধনের আগেই ভে'ঙে গেছে সেতুর সংযোগ সড়ক

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪/০৫/২০২৬ ০৩:০৮:১৬ PM

মাধবপুরে উদ্বোধনের আগেই ভে'ঙে গেছে সেতুর সংযোগ সড়ক

ছবি নিজস্ব


হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা-বাগান এলাকায় প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক উদ্বোধনের আগেই পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে সেতু নির্মাণে অনিয়ম ও অপরিকল্পিত কাজের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মাধবপুরের তত্ত¡াবধানে “মাধবপুর আরঅ্যান্ডএইচ তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কের ২৫০ মিটার চেইনেজে ৪৫ মিটার আরসিসি পিএসসি গার্ডার ব্রিজ” নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ১২ জুলাই। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৮৫১ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের কাগজপত্রে তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কে সেতু নির্মাণের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ওই সড়ক থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সুরমা চা-বাগানের আমতলী-২০ নম্বর সড়কের তেলমাছড়া এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ ভেঙে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণকাজের সময় অপরিকল্পিতভাবে টিলা কাটার কারণে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।

সুরমা চা-বাগানের বাসিন্দা দিপু যাদব (মনা) বলেন, টিলা কাটার পর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে। আগে ছড়াটি এত বড় ছিল না।

২০ নম্বর এলাকার বাসিন্দা রবি কুর্মি বলেন, এই সড়কে আরও দুটি পাহাড়ি ছড়া রয়েছে। সেখানে ব্রিজ না থাকলে যানবাহন চলাচল সম্ভব নয়। একটি ব্রিজের পেছনে এত টাকা ব্যয় না করে ফয়জাবাদ থেকে ২০ নম্বর পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ করলে এলাকাবাসীর বেশি উপকার হতো।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তবর্তী ২০ নম্বর এলাকায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষের বসবাস। যোগাযোগের জন্য রয়েছে দুটি কাঁচা রাস্তা। এর মধ্যে ফয়জাবাদ এলাকা হয়ে পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত সড়ক দিয়ে নিয়মিত সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। অন্যদিকে আমতলী সড়কে দুটি বড় পাহাড়ি ছড়া থাকায় সেখানে যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউন নবী বলেন, আমরা এখনো ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ বুঝে নিইনি। তাই তাদের দায়িত্বে তারা সংযোগ সড়ক ঠিক করে আমাদের কাছে কাজ বুঝিয়ে দেবে।

তবে সেতু নির্মাণে অনিয়ম ও স্থান পরিবর্তনের অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

জৈন্তা বার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ:

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও উন্নত নগরী গড়তে কাজ করছি: সিসিক প্রশাসক
মাধবপুরে নামজারি করতে গিয়ে চ*রম ভো*গান্তিতে ভূমি মালিকরা
স্লিপার বাস ব*ন্ধ না করলে গাড়ি জ*ব্দের হুঁশি*য়ারি
গোয়াইনঘাটে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে মাঠে আমন রোপণের ধুম, কৃষকের চোখে সোনালি স্বপ্ন
সুনামগঞ্জে ২০ মাসের শিশুকে ধ'র্ষ'ণের অ'ভিযোগে যুবক গ্রে'প্তার
হা'মের উপসর্গে সিলেটে আরও ২ শিশুর মৃ'ত্যু
নানকার কৃষক বি*দ্রোহ দিবস আজ: কৃষকের র*ক্তে লেখা যে ইতিহাস
সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের অ*নির্দিষ্টকালের ক*র্মবিরতি স্থগিত
সিলেটে নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট প*ড়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু, আ*টক ৭
সাইবার অ*পরাধ রুখতে জনসচেতনতা জরুরি: এমপি এমরান