মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম
সিলেটের গোয়াইনঘাটে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ/র্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মা/মলায় আবদুল্লাহ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে মৃ/ত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে ঘোষিত এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম। একই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গত সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রুবাইয়া ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মোসতাক আহমদ ও মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম।
মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সালে তাঁর প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর প্রথমে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তিনি গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বিচারিক কার্যক্রম চলার পর আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এ রায়ে তিনি সন্তুষ্ট এবং আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ। আদালত ন্যায়বিচার করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্রুত রায় কার্যকর করা হলে তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে কেউ যেন এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়, সে জন্য তিনি রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের বগাইয়া হাওর গ্রামের একটি বাড়িতে কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আবদুল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আবদুল্লাহ মিয়া ছিলেন একমাত্র আসামি।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আবদুল্লাহ মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল্লাহ মিয়া গোয়াইনঘাট উপজেলার বগাইয়া হাওর গ্রামের বাসিন্দা।
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




