সংগৃহীত
অসহায়-দরিদ্র মানুষের কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এই সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং চা-বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেছেন ১১ নং মধ্য জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান কাওছার। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিকতায় তাঁর এই উদ্যোগ চা-বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে সামাজিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় জাফলং চা-বাগানের দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে এ বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মোস্তাফিজুর রহমান কাওছারের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে চা-বাগানের শ্রমিকদের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।
মোস্তাফিজুর রহমান কাওছার ১১ নম্বর মধ্য জাফলং ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। স্থানীয়ভাবে তাঁর উদ্যোগের মধ্যে অসহায়, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শ্রমিক ও কৃষকদের সহযোগিতার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁর এসব উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই তাঁর সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের অন্যতম দিক। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার, শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তাঁর উদ্যোগ সামাজিক দায়িত্ববোধের পরিচয় বহন করে।
বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নিতাই পাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর মধ্য জাফলং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির আহমেদ সানি, গোয়াইনঘাট উপজেলা তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক চিকিৎসক মো. তাজ উদ্দিন, চা-বাগান পঞ্চায়েতের সভাপতি নিতাই পাল, সাধারণ সম্পাদক আক্কেল, অর্থ সম্পাদক শ্রাবন চাষা, সাবেক পঞ্চায়েত সদস্য নিরঞ্জন গোয়ালা এবং সাবেক ইউপি সদস্য সারবানা মাহালি। আয়োজকদের মতে, চা-বাগানের শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের প্রয়োজনের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার মাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমান কাউছার ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকতে চান বলে তাঁর উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের কল্যাণে এগিয়ে এলে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




