মাধবপুরে ভ/য়াবহ অ/গ্নিকাণ্ডে পু/ড়ল বসতঘর, ৩০ লাখ টাকার ক্ষ/তির দাবি
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন

মাধবপুরে ভ/য়াবহ অ/গ্নিকাণ্ডে পু/ড়ল বসতঘর, ৩০ লাখ টাকার ক্ষ/তির দাবি

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৪/১০/২০২৬ ০৫:০৪:২৯ অপরাহ্ন

মাধবপুরে ভ/য়াবহ অ/গ্নিকাণ্ডে পু/ড়ল বসতঘর, ৩০ লাখ টাকার ক্ষ/তির দাবি

ছবি:সংগৃহীত


হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলাকপুর গ্রামে খালেক মিয়ার বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে এ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর, আসবাবপত্র, ফ্রিজ, কাঠ, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, এতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফজরের নামাজের সময় হঠাৎ খালেক মিয়ার বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ঘরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে মাধবপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত খালেক মিয়া জানান, আগুনে তাঁর বসতঘর ও ঘরে থাকা আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। এ ছাড়া ছয় থেকে সাত ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী আগুনে নষ্ট হয়েছে। এতে তাঁর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মাধবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, ফজরের নামাজের সময় খালেক মিয়ার ঘরে আগুন লাগে। এতে আসবাবপত্র, ফ্রিজ, কাঠ ও নতুন বউয়ের স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। তাঁর ধারণা, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান এবং জেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান সাবেক এই মেয়র। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবারের দুরবস্থা বিবেচনার অনুরোধ জানান তিনি।

মাধবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মনোতোষ মল্লিক বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে রয়েছে। খুব শিগগিরই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ