ছবি:সংগৃহীত
সাহিত্য কেবল শব্দের বিন্যাস নয়, বরং জীবনের গভীর সত্য অনুসন্ধানের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভালো লেখক হতে হলে আগে ভালো পাঠক হতে হবে এবং ক্লাসিক সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে ভাষার ভিত শক্ত করতে হবে। তরুণ লেখকদের সৃজনশীলতাই আগামী দিনের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করবে।
সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস)-এর ১২৬৯তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেমুসাস সাহিত্য আসর কক্ষে অনুষ্ঠিত এ আসরে সভাপতিত্ব করেন সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক, কথাসাহিত্যিক ও ছড়াকার কামরুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছড়াকার আব্দুস সামাদ অয়ন।
আলোচনায় অংশ নেন কেমুসাসের সহসভাপতি সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, কবি ও বাচিকশিল্পী মামুন সুলতান এবং কবি-গবেষক শামসীর হারুনুর রশীদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কবির মাহমুদ। পরে স্বরচিত লেখা পাঠে অংশ নেন কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, কবি মুহিত চৌধুরী, সৈয়দ আছলাম হোসেন, মোয়াজ আফসার, ড. এম এ মোশতাক, দেওয়ান মতিউর রহমান খান, এ বি এম হাসান চৌধুরী, কামাল আহমদ, মিলন কান্তি দাস, শাহনূর আলম মাহির, মকসুদ আহমদ লাল, লোকমান আহমদ, মো. হুসাইন আহমেদ, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল্লাহ, শেখর চন্দ্র বোধ, লিপি খান, রোকসানা বেগম, রুহুল আজম মাসুদ, আবু সাঈদ, ইসহাক হোসেন, নূরুদ্দীন রাসেল, মো. নজরুল ইসলাম, মো. বাহাউদ্দিন বাহার, মো. ফয়সল আহমদ ও দিদার আহমদসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন মিলন কান্তি দাস ও কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল। সাহিত্য আসরে কবির মাহমুদ সেরা লেখক নির্বাচিত হন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




