ছবি:সংগৃহীত
সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স ৩৫ দিন পর খুলে এবার পাওয়া গেছে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিনভর দানবাক্স ও ডেকচিতে জমা হওয়া অর্থ গণনা করা হয়। গণনা শেষে অর্থের পরিমাণ ঘোষণা করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
দানবাক্সে নগদ টাকার পাশাপাশি সোনা, রূপা ও ১৮টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। এসব মুদ্রার মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ১৩ দশমিক ৫০ ওমানি রিয়াল, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ৬৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, ১৭ কাতারি রিয়াল, ১০০ বাহরাইনি দিনার, ১৪ ব্রিটিশ পাউন্ড, ২৯ মার্কিন ডলার এবং ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট।
এ ছাড়া পাওয়া গেছে ১১ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ২০ থাই বাত, ১৫ মালদ্বীপের রুফিয়া, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুশ রুবল ও ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি।
দান পাওয়া গরু-ছাগল জবাই ও বিতরণ
মাজারে দান হিসেবে পাওয়া সাতটি গরুর মধ্যে চারটি লঙ্গরখানায় জবাই করা হয়েছে। বাকি তিনটি দেওয়া হয়েছে খাদিমদের।
অন্যদিকে, ৩১০টি ছাগলের মধ্যে ২১০টি লঙ্গরখানায় এবং ২৭টি শিন্নি বিতরণের জন্য জবাই করা হয়। বাকি ৪৮টি ছাগল খাদিমদের দেওয়া হয়েছে। তবে উল্লেখিত হিসাব অনুযায়ী ছাগলের মোট সংখ্যা ও বণ্টনের হিসাবে ২৫টির ঘাটতি রয়েছে।
আগের চার দফার গণনা
এর আগে আরও চার দফায় মাজারের দানবাক্স ও ডেকচিতে জমা হওয়া অর্থ প্রকাশ্যে গণনা করা হয়। গত ২২ জুন প্রথম দফার গণনায় পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে পাঁচ লাখ টাকার চেক যুক্ত হলে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।
দ্বিতীয় দফায় ১১ জুলাই গণনায় পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। তৃতীয় দফায় ১৫ আগস্ট পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা। সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফার গণনায় দানবাক্স ও ডেকচি থেকে পাওয়া যায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা।
শনিবারের গণনায় পাওয়া অর্থের পরিমাণ আগের দফার তুলনায় কিছুটা কম।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




