ছবি সংগৃহীত
বিশ্ববিখ্যাত নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের টাইটানিক সিনেমায় লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বদলে অন্য কাউকে, ভাবা সম্ভব নয় এমনটা এখন অনেকেরই মনে হতে পারে। তবে বিশ্ব চলচ্চিত্রে ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই রোমান্টিক সিনেমা থেকে লিওনার্দোকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন নির্মাতা।
১৯৯৭ সালে পুরো বিশ্বে সাড়া জাগিয়েছিল জেমস ক্যামেরনের এ টাইটানিক সিনেমা। আজও জ্যাক এবং রোজের মাঝের রসায়ন সমানভাবে আলোচিত হয়।
তবে এমন ঘটনা সত্যিই ভাবতে পারা যায় না, যে এই সিনেমা থেকে লিওনার্দোকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন জেমস ক্যামেরন। বলিউড-টালিউডে এমন ঘটনা প্রায়শই শোনা গেলেও লিওনার্দোর বদলে অন্য কাউকে টাইটানিকে ভাবতেই সত্যিই কষ্ট হত। তবে কী কারণে বাদ দিতে চেয়েছিলেন তার কারণ আজও জানা যায়নি।
১০০ বছর আগে তলিয়ে গিয়েছিল টাইটানিক নামের স্বপ্নের এই জাহাজ। মহাসাগরের নিচে পড়ে রয়েছে এর ধ্বংসাবশেষ। তারপরেও টাইটানিক নিয়ে আজও রয়েছে উৎসাহ আর হাজারো প্রশ্ন। গাঁট থেকে মোটা টাকা খরচ করে সেই ধ্বংসাবশেষ চাক্ষুষ করতেও ছুটে যান মানুষ জন।
টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষকে ঘিরে গড়ে ওঠে পৃথক পর্যটন শিল্পও। কিন্তু সেই টাইটানিক দর্শন ঘিরেই সম্প্রতি বিপত্তি বেধেছিল। পর্যটকদের নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল আস্ত একটি ডুবোজাহাজ। এরপর আমেরিকা এবং কানাডা, দুই দেশ হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়ায় সেটিকে।
আটলান্টিক মহাসাগরর ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে পড়ে রয়েছে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ। সম্প্রতি যে ডুবোজাহাজটি তার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল, সেটির নাম ছিল ‘টাইটান সাবমার্সিবল’র
একটানা ৯৬ ঘণ্টা পাঁচ সওয়ারিকে নিয়ে রওনা দেওয়ার ক্ষমতা বিশিষ্ট। তাতে চেপে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দর্শন এবং গভীর সমুদ্রে বিচরণ করতে খরচ পড়েছিল বিপুল অর্থ। কিন্তু এত কিছুর পরেও শেষ অবধি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




